March 2015

ওয়ার্ডপ্রেসে দিয়ে তৈরি করুন

আপনার

এলাকা ভিত্তিক বা স্কুল , সংগঠন বা

গ্রুপ

ভিত্তিক সাইট । আমরা ফেইসবুকে

দেখি মতের অমিল

হলেই বল্ক ব্যবহার চলে । আপনার কষ্টের

লেখা রিপোর্ট করে রিমুভ করা নাই ।

এবার

আপনি নিজেই তৈরি করুন সোস্যল

সাইট

যেখানে আপনি হবেন কর্তৃপক্ষ বা

মডারেটর ।

যেখানে প্রবেশ অধিকার থাকবে শুধু

আপনার

ভক্তের বা আপনার এলাকার ছেলে

বা আপনার

সংগঠনের ই কেউ । তাহলে চলুন শুরু করি

। এর জন্য

প্রথমেই আপনার যা যা লাগবে তার

মধ্যে হল

একটা ইন্সটলেড ওয়ার্ডপ্রেসে সাইট ।

ধরে নিচ্ছি আপনার করে ফেলেছেন

বা আপনার

আছে । এবার BuddyPress নামের এই

প্লাগিনটি ডাউন লোড করে ফেলুন ।

বা আপনার

প্লাগিন অপশনে ইয়ে এড নিউ এই

খানে সার্চ

অপশনে BuddyPress লিখে সার্চ দিন।

★ BuddyPress Download

এবার প্লাগিন একটিভ করে , setting

>Buddypress

যান ।

এবার আপনি যে যে ফিচার চান

সেটা একটিভ

করে দিন। আমার কথা হলে সোস্যল

নেটওয়ার্কের

জন্য যা যা লাগে সব আনতে সব অপশনই

একটিভ

করা ঠিক হবে ।

এবার এইখান হতে এই থিমটি

ডাউনলোড করে নিন

★ Ibuddy themes

এইবার থিমটি একটিভ করুন । তারপর

Appearance >

Theme Option যান । তারপর Advanced

setting

গিয়ে দুইটি অপশনেই ঠিক চিন্হ দিয়ে

সেভ করুন ।

যাতে রেজিস্টার কৃত ইউজার ছাড়া

আর কেউ

মুল সাইটে প্রবেশ করতে না পারে ।

যেন

সাইটে প্রবেশ করতে অবশ্যই লগইন করতে

হয়ে ।

এবার Pages > Add New তে যান। Name

লিখুন

হোম । এবার Template হতে Home

সিলেক্ট করে দিন।

এবার পাবলিস করুন ।

এবার setting >Reading যান । Front page

displays অপশনে হতে A static page (select

below)

সিলেক্ট করুন । নিচে Front page: হতে

হোম

পেজটি সিলেক্ট করে দিন ।

ব্যস হয়ে গেল সোস্যল নেটওয়াকিং

সাইট ।

চাইলে আপনি সাইটকে আরো

ডেভেলপ

করতে পারেন । ধরুন আপনার সংগঠনের

ফরম

নাম্বার সব সদস্যের প্রফোইলে

থাকবে এর জন্য

আপনার একটা ফিল্ড দরকার । এইটাও

আপনি কাস্টমাইজ করতে পারেন

ইউজার

ফ্রোফাইল ফিল্ড হতে ।

আপনার এন্ড্রুয়েট ফোনের সিস্টেম

ফাস্ট করান ।

আমরা যারা এ্যান্ড্রয়েড মোবাইল

ব্যবহার

করি, তাদের সবারই একটি সাধারন

সমস্যা হলো এর সিস্টেম

মেমোরী কমে যাওয়া।

এতে করে মোবাইল ধীর গতির হয়ে

যায়।

যা খুবই বিরক্তির, মনে হয় এ্যান্ড্রয়েড

মোবাইল কেন কিনলাম? অনেকে এই

সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য

বিভিন্নএ্যাপস

ডাইনলোড করে মোবাইলের

ডাউনলোডকৃত

এ্যাপসগুলোকে SD Card-এ লিংক করে

দেন

অথবা তাতে ট্রান্সফার করে

থাকেন, কিন্তু

তাতে কি সিস্টেম মেমোরী খুব

একটা খালী হয়? আর খালী হলেও

সময়ের

ব্যবধানে তা আবার ভরে ওঠে।

তাহলে সমাধান কি? কিছু এ্যাপস্

ডিলিট

করে দেওয়া?

গ্যারান্টি দিচ্ছি, তাতেও কোন

সমাধান

হবে না, বরং এতেহয়তো আপনার

প্রয়োজনীয়

কোন এ্যাপই ডিলিট করে আপসোস

করতে হতে পারে।

আসুন তবে এবার আসল সমাধানের

দিকে।

আসস্ত করছি, এটা আমি নিজে

Samsung GT-

S5300 তে ট্রাই করে ১০০% সফল হয়েই

এই

পোস্ট করছি আর হ্যা, আপনাদেরকে

এর জন্য

নতুন কোন এ্যাপ ডাউনলোড করতেও

হবে না,

যদি না আপনার ফোনটি রুট করা

থাকে, আর

সাথে একটি ভালো ফাইল

ম্যানেজার থাকে,

যা দিয়ে সিস্টেম ফাইলও রিমুভ করা

যায়।

আপনাদের যাদের ফোন রুট করা

আছে,

তারা ফাইল ম্যানেজার ওপেন করে

সিস্টেম

মেমোরীতে প্রবেশ করুন। সেখানে

data

নামে একটা ফোল্ডার

পাবেন,

ঐ ফোল্ডার-এর ভেতর log

নামে আরেকটা ফোল্ডার পাবেন।

এই log

ফোল্ডারের ভেতর যা আছে তার সব

ডিলিট

করে দিন। ( সাধারনত log

ফোল্ডারের ভেতর

যেসব ফাইল থাকে তাদের নাম হয়

এরকম-

dumpstate_app...

আশা করি ফোল্ডারটি খুঁজে পেতে

আপনাদের

খুব একটা সমস্যা হবে না।) ব্যাস কাজ

শেষ।

এবার সিস্টেম স্টোরেজ চেক করে

দেখুন।

Warning!!: রুট ফোল্ডারে সাবধানে

কাজ

করবেন। যাতে আবার প্রয়োজনীয়

কোন কিছু

না ডিলিট হয়ে যায়।

যাদের রুট করা নাই তাদের জন্যঃ

কেবলই

আপসোস করুন, নয়তো ফোনটি সাহস

নিয়ে রুট

করে ফেলুন ।

টানা তিনটি বিশ্বকাপ জেতা

অস্ট্রেলিয়াকে গতবার

কোয়ার্টার-ফাইনালে বিদায়

করেছিল ভারত। সেই আসরের

শিরোপা জেতা দলটিকে এবার

সেমি-ফাইনালে থেকে ফেরত

পাঠিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে

মাইকেল ক্লার্করা। স্টিভেন

স্মিথের শতকে ৯৫ রানের এই জয়ে

সপ্তমবারের মতো ফাইনালে

পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া।

আগামী রোববার একাদশ আসরের

ফাইনালে বিশ্বকাপের আরেক

আয়োজক নিউ জিল্যান্ডের

মুখোমুখি হবে চারবারের চ্যাম্পিয়ন

অস্ট্রেলিয়া।

স্মিথ ও অ্যারন ফিঞ্চ চমৎকার সূচনা

এনে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। তবে ১৬

রানে তিন উইকেট হারিয়ে বেশ

চাপে পড়ে তারা। শেষ দিকে

রানের গতি বাড়িয়ে ৭ উইকেটে

৩২৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে

স্বাগতিকরা। এবারের আসরে এই

প্রথম কোনো দলকে অলআউট করতে

ব্যর্থ হল ভারত।

বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে

কখনো না হারা অস্ট্রেলিয়ার

বিপক্ষে ৩২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া

করতে বড় জুটি দরকার ছিল ভারতের।

দুটি সম্ভাবনাময় জুটি আশা

জাগালেও সেগুলো খুব একটা বড়

হয়নি। তাই জেতা হয়নি তাদের, ৪৬

ওভার ৫ বলে ২৩৩ রানে অলআউট হয়ে

যায় ভারত।

ওয়ানডের সেরা টুর্নামেন্টে

প্রথমবারের মতো তিনশ' রানের লক্ষ্য

তাড়া করে জিততে রোহিত শর্মা ও

শিখর ধাওয়ানের দিকে তাকিয়ে

ছিল ভারত। ভাগ্যও এই দুই

ব্যাটসম্যানের সঙ্গেই ছিল। শূন্য

রানে রোহিত ও ৫ রানে ধাওয়ান

জীবন পান।

সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা

করেন রোহিত-ধাওয়ান। তবে খুব

একটা সফল হননি তারা। ধাওয়ান জস

হেইজেলউডের শিকারে পরিণত

হলে ভাঙে ৭৬ রানের উদ্বোধনী

জুটি।

অফস্টাম্পের বাইরের বল দিয়ে

বিরাট কোহলিকে শুরু থেকেই

অস্বস্তিতে রাখে স্বাগতিকরা।

মিচেল জনসনের একটি শর্ট বল পুল

করতে গিয়ে টাইমিংয়ের গড়বড়

করে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

পরের ওভারে রোহিতকে বোল্ড

করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন

জনসন।

ভারতের বিপদ আরো বাড়ায় সুরেশ

রায়নার দ্রুত বিদায়। মাত্র ৩০ রানের

মধ্যে ধাওয়ান, কোহলি, রোহিত ও

রায়নার বিদায়ে চালকের আসনে

বসে অস্ট্রেলিয়া।

অজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে ৭০

রানের জুটি গড়ে দলকে কক্ষপথে

রাখার চেষ্টা করেন ধোনি।

ফিরেই তাদের ৭৭ বল স্থায়ী জুটি

ভাঙেন মিচেল স্ট্যার্ক।

রাহানের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে

হ্যাডিনের গ্লাভসে বল জমা পড়লে

জোরালো আবেদন করেন

স্বাগতিকরা। আম্পায়ার কুমার

ধর্মসেনা আবেদনে সাড়া দেননি।

রিভিউ নেয় স্বাগতিকরা; তাতে

সিদ্ধান্ত পাল্টে রাহানেকে আউট

ঘোষণা করেন তিনি।

নেমেই আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা

করা রবিন্দ্র জাদেজার রান আউটের

পর পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ধোনি।

তবে তার চেষ্টা খুব একটা সফল হয়নি।

৬৫ বলে ৬৫ রানের ইনিংসটি শেষ হয়

রান আউট হয়ে।

পরপর দুই বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও

মোহিত শর্মাকে আউট করে

হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান

জেমস ফকনার। তার হ্যাটট্রিক

ফিরিয়ে দেয়া উমেশ যাদব

স্ট্যার্কের করা পরের ওভারেই

বোল্ড হলে গুটিয়ে যায় ভারতের

ইনিংস।

এর আগে বৃহস্পতিবার সিডনি

ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাট

করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি

অস্ট্রেলিয়ার। উমেশ যাদবের বলে

কোহলির ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরে

যান ডেভিড ওয়ার্নার।

দ্বিতীয় উইকেটে স্মিথ ও ফিঞ্চের

দৃঢ়তা ভরা ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ

গড়ে অস্ট্রেলিয়া। শতকে পৌঁছে

স্মিথের বিদায়ে ভাঙে তাদের

১৮৬ বল স্থায়ী ১৮২ রানের জুটি।

মোহাম্মদ সামির বলে ছক্কা ও চার

হাকিয়ে নিজের রান তিন অঙ্কে

নিয়ে যান স্মিথ। উমেশের দ্বিতীয়

শিকারে পরিণত হওয়া স্মিথের

(১০৫) ৯৩ বলের ইনিংসটি ১১টি চার

ও ২টি ছক্কা সমৃদ্ধ।

ক্রিজে এসেই রানের গতি

বাড়ানোর দিকে মনোযোগী হন

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে নিজের

ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি।

এক সময়ে ২ উইকেটে ২৩২ রানে

পৌঁছে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার

ইনিংসে হঠাৎ করেই ছন্দ পতন ঘটে।

এরপর ২৮ বলে ১৬ রান যোগ করতেই

ম্যাক্সওয়েল, ফিঞ্চ ও অধিনায়ক

মাইকেল ক্লার্কের উইকেট হারিয়ে

চাপে পড়ে বিশ্বকাপের

ফেভারিটরা।

বিপজ্জনক ম্যাক্সওয়েলকে ফেরান

অফস্পিনার অশ্বিন। রানের গতি

বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে

উমেশের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন

ফিঞ্চ (৮১)। তার ১১৬ বলের ইনিংসটি

সাজানো ৭টি চার ও ১টি ছক্কায়

গড়া।

রান বাড়ানোর চাপে ফিরে যান

ক্লার্কও। মোহিতের বাজে একটি

বলে পুল করতে গিয়ে টাইমিংয়ে

গড়বড় করে রোহিতের ক্যাচে পরিণত

হন তিনি।

নিয়ন্ত্রিত বল করা অশ্বিনের শেষ

বলে বিশাল ছক্কা হাকিয়ে

নিজেদের ওপর থেকে চাপটা

সরিয়ে নেন শেন ওয়াটসন। রানের

গতি বাড়ানোয় ভালো অবদান

রাখেন ফকনারও। তাকে বোল্ড

করেন ৭২ রানে চার উইকেট নেয়া

উমেশ।

ওয়াটসনের বিদায়ের পর ক্রিজে

আসা জনসনের ৯ বলে অপরাজিত ২৭

রানের ছোট্ট কিন্তু কার্যকর

ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ

সোয়া তিনশ' পার হয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩২৮/৭

(ফিঞ্চ ৮১, ওয়ার্নার ১২, স্মিথ ১০৫,

ম্যাক্সওয়েল ২৩, ওয়াটসন ২৮, ক্লার্ক

১০, ফকনার ২১, হ্যাডিন ৭*, জনসন ২৭*;

উমেশ ৪/৭২, মোহিত ২/৭৫, অশ্বিন

১/৪২)

ভারত: ৪৬.৫ ওভারে ২৩৩ (রোহিত ৩৪,

ধাওয়ান ৪৫, কোহলি ১, রাহানে ৪৪,

রায়না ৭, ধোনি ৬৫, জাদেজা ১৬,

অশ্বিন ৫, সামি ১*, মোহিত ০, উমেশ

০; ফকনার ৩/৫৯, স্ট্যার্ক ২/২৮, জনসন

২/৫০, হেইজেলউড ১/৪১)

ম্যাচ সেরা: স্টিভেন স্মিথ।

টানা তিনটি বিশ্বকাপ জেতা

অস্ট্রেলিয়াকে গতবার

কোয়ার্টার-ফাইনালে বিদায়

করেছিল ভারত। সেই আসরের

শিরোপা জেতা দলটিকে এবার

সেমি-ফাইনালে থেকে ফেরত

পাঠিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে

মাইকেল ক্লার্করা। স্টিভেন

স্মিথের শতকে ৯৫ রানের এই জয়ে

সপ্তমবারের মতো ফাইনালে

পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া।





আগামী রোববার একাদশ আসরের

ফাইনালে বিশ্বকাপের আরেক

আয়োজক নিউ জিল্যান্ডের

মুখোমুখি হবে চারবারের চ্যাম্পিয়ন

অস্ট্রেলিয়া।



স্মিথ ও অ্যারন ফিঞ্চ চমৎকার সূচনা

এনে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। তবে ১৬

রানে তিন উইকেট হারিয়ে বেশ

চাপে পড়ে তারা। শেষ দিকে

রানের গতি বাড়িয়ে ৭ উইকেটে

৩২৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে

স্বাগতিকরা। এবারের আসরে এই

প্রথম কোনো দলকে অলআউট করতে

ব্যর্থ হল ভারত।



বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে

কখনো না হারা অস্ট্রেলিয়ার

বিপক্ষে ৩২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া

করতে বড় জুটি দরকার ছিল ভারতের।

দুটি সম্ভাবনাময় জুটি আশা

জাগালেও সেগুলো খুব একটা বড়

হয়নি। তাই জেতা হয়নি তাদের, ৪৬

ওভার ৫ বলে ২৩৩ রানে অলআউট হয়ে

যায় ভারত।



ওয়ানডের সেরা টুর্নামেন্টে

প্রথমবারের মতো তিনশ' রানের লক্ষ্য

তাড়া করে জিততে রোহিত শর্মা ও

শিখর ধাওয়ানের দিকে তাকিয়ে

ছিল ভারত। ভাগ্যও এই দুই

ব্যাটসম্যানের সঙ্গেই ছিল। শূন্য

রানে রোহিত ও ৫ রানে ধাওয়ান

জীবন পান।



সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা

করেন রোহিত-ধাওয়ান। তবে খুব

একটা সফল হননি তারা। ধাওয়ান জস

হেইজেলউডের শিকারে পরিণত

হলে ভাঙে ৭৬ রানের উদ্বোধনী

জুটি।

অফস্টাম্পের বাইরের বল দিয়ে

বিরাট কোহলিকে শুরু থেকেই

অস্বস্তিতে রাখে স্বাগতিকরা।

মিচেল জনসনের একটি শর্ট বল পুল

করতে গিয়ে টাইমিংয়ের গড়বড়

করে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

পরের ওভারে রোহিতকে বোল্ড

করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন

জনসন।

ভারতের বিপদ আরো বাড়ায় সুরেশ

রায়নার দ্রুত বিদায়। মাত্র ৩০ রানের

মধ্যে ধাওয়ান, কোহলি, রোহিত ও

রায়নার বিদায়ে চালকের আসনে

বসে অস্ট্রেলিয়া।

অজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে ৭০

রানের জুটি গড়ে দলকে কক্ষপথে

রাখার চেষ্টা করেন ধোনি।

ফিরেই তাদের ৭৭ বল স্থায়ী জুটি

ভাঙেন মিচেল স্ট্যার্ক।

রাহানের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে

হ্যাডিনের গ্লাভসে বল জমা পড়লে

জোরালো আবেদন করেন

স্বাগতিকরা। আম্পায়ার কুমার

ধর্মসেনা আবেদনে সাড়া দেননি।

রিভিউ নেয় স্বাগতিকরা; তাতে

সিদ্ধান্ত পাল্টে রাহানেকে আউট

ঘোষণা করেন তিনি।

নেমেই আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা

করা রবিন্দ্র জাদেজার রান আউটের

পর পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ধোনি।

তবে তার চেষ্টা খুব একটা সফল হয়নি।

৬৫ বলে ৬৫ রানের ইনিংসটি শেষ হয়

রান আউট হয়ে।

পরপর দুই বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও

মোহিত শর্মাকে আউট করে

হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান

জেমস ফকনার। তার হ্যাটট্রিক

ফিরিয়ে দেয়া উমেশ যাদব

স্ট্যার্কের করা পরের ওভারেই

বোল্ড হলে গুটিয়ে যায় ভারতের

ইনিংস।

এর আগে বৃহস্পতিবার সিডনি

ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাট

করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি

অস্ট্রেলিয়ার। উমেশ যাদবের বলে

কোহলির ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরে

যান ডেভিড ওয়ার্নার।

দ্বিতীয় উইকেটে স্মিথ ও ফিঞ্চের

দৃঢ়তা ভরা ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ

গড়ে অস্ট্রেলিয়া। শতকে পৌঁছে

স্মিথের বিদায়ে ভাঙে তাদের

১৮৬ বল স্থায়ী ১৮২ রানের জুটি।

মোহাম্মদ সামির বলে ছক্কা ও চার

হাকিয়ে নিজের রান তিন অঙ্কে

নিয়ে যান স্মিথ। উমেশের দ্বিতীয়

শিকারে পরিণত হওয়া স্মিথের

(১০৫) ৯৩ বলের ইনিংসটি ১১টি চার

ও ২টি ছক্কা সমৃদ্ধ।

ক্রিজে এসেই রানের গতি

বাড়ানোর দিকে মনোযোগী হন

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে নিজের

ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি।

এক সময়ে ২ উইকেটে ২৩২ রানে

পৌঁছে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার

ইনিংসে হঠাৎ করেই ছন্দ পতন ঘটে।

এরপর ২৮ বলে ১৬ রান যোগ করতেই

ম্যাক্সওয়েল, ফিঞ্চ ও অধিনায়ক

মাইকেল ক্লার্কের উইকেট হারিয়ে

চাপে পড়ে বিশ্বকাপের

ফেভারিটরা।

বিপজ্জনক ম্যাক্সওয়েলকে ফেরান

অফস্পিনার অশ্বিন। রানের গতি

বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে

উমেশের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন

ফিঞ্চ (৮১)। তার ১১৬ বলের ইনিংসটি

সাজানো ৭টি চার ও ১টি ছক্কায়

গড়া।

রান বাড়ানোর চাপে ফিরে যান

ক্লার্কও। মোহিতের বাজে একটি

বলে পুল করতে গিয়ে টাইমিংয়ে

গড়বড় করে রোহিতের ক্যাচে পরিণত

হন তিনি।

নিয়ন্ত্রিত বল করা অশ্বিনের শেষ

বলে বিশাল ছক্কা হাকিয়ে

নিজেদের ওপর থেকে চাপটা

সরিয়ে নেন শেন ওয়াটসন। রানের

গতি বাড়ানোয় ভালো অবদান

রাখেন ফকনারও। তাকে বোল্ড

করেন ৭২ রানে চার উইকেট নেয়া

উমেশ।

ওয়াটসনের বিদায়ের পর ক্রিজে

আসা জনসনের ৯ বলে অপরাজিত ২৭

রানের ছোট্ট কিন্তু কার্যকর

ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ

সোয়া তিনশ' পার হয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩২৮/৭

(ফিঞ্চ ৮১, ওয়ার্নার ১২, স্মিথ ১০৫,

ম্যাক্সওয়েল ২৩, ওয়াটসন ২৮, ক্লার্ক

১০, ফকনার ২১, হ্যাডিন ৭*, জনসন ২৭*;

উমেশ ৪/৭২, মোহিত ২/৭৫, অশ্বিন

১/৪২)

ভারত: ৪৬.৫ ওভারে ২৩৩ (রোহিত ৩৪,

ধাওয়ান ৪৫, কোহলি ১, রাহানে ৪৪,

রায়না ৭, ধোনি ৬৫, জাদেজা ১৬,

অশ্বিন ৫, সামি ১*, মোহিত ০, উমেশ

০; ফকনার ৩/৫৯, স্ট্যার্ক ২/২৮, জনসন

২/৫০, হেইজেলউড ১/৪১)

ম্যাচ সেরা: স্টিভেন স্মিথ।

স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রীলেন্সিং-এর সূচনা

ফ্রীলেন্সিং এর জগতে হাতে খড়ি দিতে প্রয়োজন

কিছু স্বচ্ছ ধারণা । আর তার প্রচেষ্টার অংশ

হিসেবে কিঞ্চিৎ সহযোগীতা করতে এ টিউন । এ

টিউনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এগিয়ে চলা আরো সুদুর

প্রসারী ভুমিকা রাখতে পারে আউটসোর্সিং এর

ক্ষেত্রে । একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার

দেয়ার লক্ষে এ এগিয়ে চলা সার্বিকভাবে চলমান

রাখারও প্রত্যাশা সবসময়ের জন্য ।

অনলাইন আর্নিং এবং আউটসোর্সিং বিষয়ে যাদের

আগ্রহ, তারাসহ নতুন, পুরনো

সবার জন্য এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র ।

আশা করি এ পর্যায়ে

অনলাইন আয় বিষয়ক কিছু সচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশের অবস্থান

ফ্রীলেন্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য় । ভালো

অবস্থান সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে

। উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের চাইতে অনেক এগিয়ে

। তাই র্শীষ স্থানে পৌছাতে এখনো বাংলাদেশকে

অনেক কাজ করতে হবে । দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে

আরো অনেক নতুন নতুন ফ্রীল্যান্সার । কিন্তু

ফ্রীল্যান্সার হওয়ার স্বপ্নে পা বাড়ালেই তৈরী হয়

জল্পনা কল্পনা আর ভুল বোঝাবুঝি । কোন পথে

আপনি সফল হবেন । কোন পথে গেলে স্বপ্নের

ক্যারিয়ার ফ্রিলেন্সিং এর দ্বারপ্রান্তে পৌছতে

পারবেন, তা নিয়ে যেন সংশয়ের শেষ নেই, রয়েছে

যথেষ্ট দ্বিধাদন্দ, উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা ।

অনলাইনে আয়ের এ পথ, সে পথ :

অনলাইনে আয়ের অনেক

পথ, এ সম্পর্কে নতুনদের জানার ইচ্ছা অনেক, কিন্তু

কিভাবে আর্নিং হবে, কোথা থেকে শুরু করা

যায়, এ নিয়ে যেন জল্পনা কল্পনার শেষ নেই ।

তবু অনলাইন আর্নিং বিষয়ে জানার আগ্রহ

সবসময়ই কম বেশি সবারই থাকে, সবাই চায় কিছু শিখে

তার মাধ্যমে আয় করার একটি পথ তৈরী করতে ।

শুধু উপযুক্ত নির্দেশনার অভাবে কাজের আগ্রহ

হারাচ্ছে নতুন করে আগত ফ্রি লেন্সার হতে আগ্রহী

তরুণরা ।

অনেকের মুখে শুনি অনলাইন এর মাধ্যমে টাকা

ইনকাম করা যায়, কিন্তু কিভাবে করে? তার পদ্ধতি

কি? অনলাইন এ অনেক কাজ আছে, কিন্তু আমি কি

কাজ করব? কোনো কাজ ই তো ভালোভাবে পারিনা

। কোন কাজে সফলতা আসবে, তা বুঝব কি করে?

ব্যর্থতার ভয়ে সামনে এগুতে পারছিনা ।

দিধাদন্দ সংকোচ সব বাদ দিয়ে ধরে নিলাম আপনি

কোনো কাজ জানেন না ।

সেক্ষেত্রে কি করবেন? শুরু থেকে আপনার করণীয়

কি হতে পারে আসুন একটু যাচাই করে নেয়া যাক ।

শুরুতে যেসব কাজ

করতে কোনো স্কীল এর প্রয়োজন হয়না, আপনি

সেসব কাজ করতে পারেন । পাশাপশি চেষ্টা করতে

পারেন কার্যকরী নতুন করে কিছু শেখার জন্য, যা

আপনাকে আয় করতে সাহায্য করবে ।

অনলাইনে কোথায় কিভাবে কাজ পাবেন?

আপনি করতে পারেন এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-

মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম

পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি

এর মত কাজগুলো ।

কোথায় পাবেন কাজগুলো? কাজগুলো পাওয়ার জন্য

আপনাকে কয়েকটি ওয়েবসাইট এ রেজিস্ট্রেশন

করতে হবে ।

আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন www.odesk.

com এ সাইনআপ এর মাধ্যমে ।

রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন www.freelancer.com

এ সাইনআপ এর মাধ্যমে ।

রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন www.elance.com এ ।

এছাড়াও ছোট ছোট কাজ করতে www.

microworkers.com এ সাইনআপ করতে পারেন ।

সাইনআপ এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলেন, কিন্তু

কাজ পাবেন কিভাবে? ধৈর্য ধরে বিষয়টি অনুধাবন

করুন, আগেই টাকা তোলার চিন্তা করবেননা, টাকা

ইনকাম করার পথটি আগে ক্লিয়ার করা উচিত ।

আপনি odesk এ রেজিস্ট্রেশন করলেন ।

এখন আপনাকে odesk এ একটি রেডিনেস টেস্ট

দিতে হবে, যেটা দেয়ার মাধ্যমে আপনি কাজ পাওয়ার

প্রাথমিক অনুমতি পাবেন ।

আপনার যদি কোনো প্রোগ্রাম ভালো জানা থাকে

তবে সে বিষয়ে আপনি পরীক্ষা দিতে পারেন তারপর

পরীক্ষায় পাশ করলে আপনি ওই বিষয়ে কাজের জন্য

এপ্লাই করে কাজ পেতে পারেন ।

মনে করেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো পারেন,

সেক্ষেত্রে আপনাকে এ বিষয়ের উপর পরীক্ষা

দিতে হবে ।

নয়তো গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজগুলো আপনি

পাবেননা । আপনাকে এ পরীক্ষায় পাশ করার জন্য

odesk সিলেবাস স্টাডি করুন, অথবা http://

onlinecarrier.blogspot.com/p/freelancing-

carrier.html
এ লিঙ্কটি আপনাকে সাহায্য করবে ।

এরপর আপনি বিভিন্ন টেস্ট দিতে পারেন ।

যত বেশি টেস্ট দিবেন আপনার কাজ পাওয়ার

সম্ভাবনা ততই বাড়বে, আপনার প্রোফাইল এর

প্রগ্রেস ও র্স্টেটাস বাড়তে থাকবে ।

কাজ পাওয়ার জন্য নিয়মিত অনলাইন এ থাকুন, বিড

করতে থাকুন প্রতিনিয়ত ।

একসময় আপনি কাজ পাবেন, এটা নিশ্চিত ।

কাজ না পেয়ে আপনি হাল ছেড়ে দিলে ভুল করবেন ।

চেষ্টা করতে থাকুন, ইনশাআল্লাহ আপনি সফল

হবেন ।

আপনি Freelancer এ রেজিস্ট্রেশন করলেন ।

Freelancer এ কাজ করতে গেলে odesk এর মত

প্রাথমিক টেস্ট যেটি দিতে হয় সেটা দিতে হয়না, তাই

আপনি এ সাইট এ রেজিষ্ট্রশন করেই কাজের জন্য

এপ্লাই করতে পারেন ।

তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে আপনি

আপনার প্রোফাইল কে সম্পূর্ণ করা কিংবা স্কীল

টেস্ট দেয়ার মাধ্যমে আপনার দক্ষতা বাড়াতে

পারেন ।

যা আপনার কাজ পাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সহায়ক

হবে । আপনি Elance এ রেজিস্ট্রেশন করলেন ।

Elance এ কাজ করতে গেলে odesk এর মত

প্রাথমিক টেস্ট যেটি দিতে হয় সেটা দিতে হয়না, তাই

আপনি এ সাইট এ রেজিষ্ট্রশন করেই কাজের জন্য

এপ্লাই করতে পারেন ।

তবে তার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে আপনার

একাউন্ট ভেরিফাই করে নিতে হবে ।

কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে আপনি আপনার

প্রোফাইলকে সম্পূর্ণ করা কিংবা স্কীল টেস্ট দেয়ার

মাধ্যমে এখানেও একইভাবে আপনার দক্ষতা

বাড়াতে পারেন ।

যা আপনার কাজ পাওয়ার ব্যাপারে আরো সহায়ক

হবে ।

আপনি Microworkers এ রেজিস্ট্রেশন করলেন ।

Microworkers এ কাজ করতে কোন রকম টেস্টই

দিতে হয়না ।

এখানে ছোট ছোট ব্যাপক কাজ রয়েছে ।

ছোট বালুকার কনা বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তলে

মহাদেশ সাগর অতল ।

এ প্রবাদটি সামনে রেখে এ সাইট-

এ নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন ।

ব্যালেন্স জমা হতে হতে যখন বড় একটি এমাউন্ট

হবে তখন আপনি তোলার চিন্তা করবেন ।

কিভাবে কাজ পাবেন ?

অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ পাওয়ার জন্য

আপনাকে গভীর রাতে চেষ্টা করতে হবে। বিশেষ করে

রাত ৩ টা থেকে সকাল ৮ টার মধ্যে যদি বিড করতে

পারেন তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকবে ।

আর অবশ্যই কভার লেটারটাও সুন্দর করে সাজিয়ে

লিখবেন । আপনি কি জানেন তা বায়ারের কাছে

উপস্থাপন করুন, আপনার কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার

করুন । আপনার টাকার চেয়ে মার্কেটপ্লেসে

ফীডব্যাকের গুরুত্ব বেশী এটা হাইলাইট করুন । আর

অবশ্যই বায়ারের বাজেটের মধ্যে বিড করতে হবে ।

যা মনে রাখতে হবে ‍

অনলাইনে আয়ের সবচেয় ভালো দিক হচ্ছে

মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে আয় করা, এজন্য বায়ার

এর সাথে যোগাযোগটা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন ।

এতে আপনি ভালো ফল পাবেন । আপনি যে কাজ

পারেন সে কাজের সাথে সম্পৃক্ত যত কাজ আছে

সেগুলোতেই বিড করতে থাকুন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-

মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম

পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি

এর মত কাজগুলো করার জন্য আপনার পর্যাপ্ত

দক্ষতা থাকার প্রয়োজন নেই । কাজের জন্য

এপ্লাই করার ক্ষেত্রে ভেরিফাইড বায়ার দেখে

এপ্লাই করা ফলপ্রসু হবে । আর ঘন্টাভিত্তিক

কাজের জন্য আপনি ঘন্টার রেট উল্লেখ করে দিতে

পারেন, ফিক্সড টাইমের কাজগুলোর পেমেন্টের

নিশ্চয়তা কম আর এক্ষেত্রে পেমেন্ট নিতে হবে

কাজের শেষে, ঘন্টাভিত্তিক কাজে পেমেন্ট ঘন্টায়

ঘন্টায় পাবেন । সর্বোপরি এসব কাজে লেগে থাকার

কোনো বিকল্প নেই ।

আরো কি কি উপায় আছে ?

আপনি উপরের সবকটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসের

মধ্যে

কোনটিতেই সাইনআপ করলেননা, তো কি করবেন?

ভেঙ্গে পড়বেননা আপনার জন্য আরো পথ আছে ।

ক্লিক করে টাকা ইনকাম এর জন্য আমি আপনাকে

পরামর্শ দিবনা, কেননা এ পথে টাকা আয়ের জন্য

আপনি যতটা শ্রম দিবেন, তা যদি উপরের ৩টি সাইট

এ দিতে পারেন, তবে আপনি একজন প্রফেশনাল

ফ্রিলেন্সার হয়ে যাবেন এটা নিশ্চিত ।

সৃজনশীল কোনো কাজে সময় দিতে পারলে আপনার

শ্রম এবং দক্ষতা ২টি-ই কাজে আসবে । আপনি

গুগল এর ব্লগার এর মাধ্যমে একটি ফ্রি সাইট তৈরী

করতে পারেন । এ সাইটের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স

ব্যবহার করেও আপনি আয় করতে পারেন । এজন্য

ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করারও

প্রয়োজন পড়ছেনা ।

কিভাবে ব্লগার এর মাধ্যমে একটি ব্লগস্পট সাইট

বানাবেন তা আমার কিছু ভিডিও টিউটোরিয়াল এর

মাধ্যমেও জানতে পারবেন । ভিডিও

টিউটোরিয়ালগুলো পেতে আপনি ‍এই

ফ্যানপেইজটিতে জয়েন করতে পারেন । https://

www.facebook.com/aimancse

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নিচের সাইটগুলো

আপনাকে সাহায্য করবে-

১। লিংক শেয়ার

২। সিজে

৩। এমাজন

৪। ক্লিকব্যান্ক

৫। শেয়ার এ সেল

টাকা কিভাবে হাতে পাবেন ?

অনলাইনে আয় করা টাকা হাতে আনার বিভিন্ন উপায়

আছে । প্রত্যেকটি মার্কেটপ্লেসেই পেমেন্ট মেখড

সেট করে আপনি টাকা হাতে আনতে পারেন । এজন্য

পছন্দ অনুযায়ী আপনি পেমেন্ট মেথড বেছে নিবেন ।

পাইওনিয়ার ডেবিট র্কাড, মাস্টার র্কাড,

মানিবুর্কাস র্কাড এর মাধ্যমে আপনি টাকা আনতে

পারেন । এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করা

টাকা পেপাল একাউন্ট থাকলে তার মাধ্যমে তুলতে

পারবেন । আর না থাকলে অন্য মেথড প্রয়োগ করে

টাকা হাতে আনতে পারবেন । গুগল এডসেন্স এর

ক্ষেত্রে ওয়্যার ট্রান্সফার টু ব্যাংক একাউন্ট

নির্ধারণ করতে পারেন । এছাড়াও ইলেকট্রনিক

ফান্ড ট্রান্সফার ও চেক এর মাধ্যমে টাকা গ্রহণের

পদ্ধতিও আছে । ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার

বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, চেক এর মাধ্যমে

টাকা গ্রহণ করলে আপনাকে ১-২ মাস অপেক্ষা করা

লাগতে পারে। কিন্তু ওয়্যার ট্রান্সফার টু ব্যাংক

একাউন্ট মেথডটি ব্যবহার করলে মাত্র ৩-৪

ওয়ার্কিং ডে তেই আপনি টাকা হাতে পেয়ে যাবেন,

তবে এজন্য ব্যাংক আপনার কাছ থেকে কাটবে ২৫

ডলার এর মত ।

কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হলে কি করবেন ?

অনলাইন আর্নিং এবং আউটসোর্সিংকিংবা

ফ্রিলেন্সিং

বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলে গ্রুপে (অনলাইন

আর্নিং এবং আউটসোর্সিং গ্রুপ- http://

facebook.com/aimancse ) নক

করতে পারেন, গ্রুপেও অনেক অজানা বিষয় জানা ও

বুঝার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে । পাশাপাশি আমি

যে কয়টি বিষয় সম্পর্কে এখানে আলোচনা করেছি

তার সবকটি আমার অনলাইন আর্নিং

সাইটে ( http://e-

aiman.blogspot.com ) গেলেও পাবেন । আর এ

সাইটটি অনলাইনের বিভিন্ন গ্রহণযোগ্য দিক

নির্দেশনা নিয়ে সাজানো যা আপনার প্রেরণার উৎস

হতে পারে । সর্বোপরি এ সাইটটিও গুগল এর ফ্রী

সার্ভিস ব্লগার এর মাধ্যমে করা, যা আপনিও করতে

পারেন । অনলাইন আর্নিং ও ফ্রিলেন্সিং

এর বিভিন্ন দিক নির্দেশনা সম্বলিত প্রচুর টিপস

সম্বলিত সাইটটি অনেকেরই কাজে আসতে

পারে, বিশেষ করে

নতুনদের জন্য এটি অনলাইন এ আয়ের সাফল্যের

পথে একটি নতুন মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে । এ

সাইটটির মাধ্যমে আমি গুগল এডসেন্স থেকে আয়

করছি, আপনিও আপনার কোনো সাইট এর মাধ্যমে

আয় করতে পারেন, আপনার এডসেন্স না থাকলেও

আপনার সাইট এ ভালো ভিজিটর থাকলে আমার

মাধ্যমেই আপনি আয়ের সুযোগ পাবেন ।

শেষ কথা:

অনলাইনে আয়ের জন্য কোন পথে যাবেন, কোখায়

যাবেন, কিভাবে যাবেন, এবার নিজেই ঠিক করুন ।

স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রীলেন্সিং

এর জগতে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাক বাংলাদেশ...

আরো এক ধাপ এগিয়ে যান আপনি নিজেই ।

সাফল্যের রাজ্যের কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা নেই ।

চুনে মুখ পুড়লে দইকেও ভয় পেতে হয়, যার বাপকে

কুমিরে খেয়েছে তারতো ঢেকী দেখেও ভয় পাওয়ারই

কথা । অনলাইন কাজের নামে যারা প্রতারণার শিকার

হয়েছেন তাদের বিভ্রান্ত না হয়ে স্বচ্ছ ধারণা এবং

উপযুক্ত নির্দেশনার মাধ্যমে পুরোদমে কাজ করার

সুযোগ এখনো আছে । হাত বাড়ালেই এ সুযোগের

পুরো দাবীদার আপনিও হতে পারেন । হাতের মুঠোয়

নিয়ে আসতে পারেন স্বপ্নের ক্যারিয়ার

ফ্রিল্যান্সিং ।

আমি চেষ্টা করেছি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ

একটি গাইড লাইন আপনাদের সামনে উপস্থাপনের

জন্য, কতটুকু পেরেছি জানিনা, আশা করি এ চেষ্টা

সম্পূর্ণ বৃথা যাবেনা । এছাড়াও আরো জানতে টেক

টিউনের চেইন টিউনে আমার "অনলাইন আয়ের এ

পথ, সে পথ, আপনি যাবেন কোন পথে" লেখাটি

দেখতে পারেন, সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

সকলের

সার্বিক কল্যান কামনায় আজকের মত এখানেই শেষ

করছি। শুভ কামনা রইলো । ভালো থাকবেন সবাই...

আসালামুয়ালায়কুম, সবাই কেমন আছেন। আশা করি

আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন, আর ভালো

থাকাটাই সবসময়ের জন্য প্রত্যাশা ।



ফ্রীলেন্সিং এর জগতে হাতে খড়ি দিতে প্রয়োজন

অনেক সাধনা, ত্যাগ আর ধৈর্য। এর কোনটি আপনি

ধরে রাখতে না পারলে সফল হওয়া সম্ভব নয়।

অনলাইনে আয়ের জন্য অনেক আগ্রহ থাকা সত্বেও

কিছু ভুল ধারণা মনে বাসা বেধে থাকার কারণে

মাঝ পথে গিয়ে অনেককেই ফিরে আসতে হয়... চলুন

দেখে নেই অনলাইনে আয় করতে গেলে কি কি

প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।



ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে গেলে যে বিষয়গুলো

আপনাকে মেনে চলতে হবে...

১. ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে গেলে প্রথমেই অনেক

বড় ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে এমন মানসিকতা

নিয়েই কাজ শুরু করতে হবে ।

২. প্রথমেই যে কোনো মার্কেট প্লেসে একাউন্ট

করতে হবে, odesk, freelancer এবং elance

পৃথিবীর সবচেয়ে পপুলার আউট সোর্সিং মার্কেট

প্লেস ।

৩. কখনোই মনে করে যাবেনা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেই

রাতারাতি বড় লোক হয়ে যাব ।

৪. অনলাইনে আয় করার অনেক পথ আছে, আপনি

ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে ভাবতে পারবেননা এ পথে

সফল হওয়া অসম্ভব। তাহলেই কাজের

শুরুতেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন ।

৫. কোনো মার্কেট প্লেসে একাউন্ট করে আপনি

সাথে সাথে কাজ পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী হবেন

এটা স্বাভাবিক কিন্তু কাজ না পেলে আশাহত হয়ে

বিড করা ছেড়ে দিবেন এমন ভাবনা মন থেকে বাদ

দিন ।

৬. আপনি কাজের জন্য যে বিড করবেন তা

যেন গ্রহণযোগ্য হয়, মিনিমাম ৩ ডলার রাখুন

আওয়ার লি রেইট আর সর্বোচ্চ রেইট আপনার

কাজের দক্ষতা অনুযায়ী দিবেন, মিনিমাম রেইট এর

নিচে দিলে আপনার মাধ্যমেই মার্কেট খারাপ হয়ে

যাবে এটা নিশ্চিত । অবশ্য এখন এই রেইটটাই

ডিফল্ট হিসেবে গন্য ।

৭. আপনার টাকার চেয়ে মার্কেটপ্লেসে ফীডব্যাকের

গুরুত্ব বেশী এটা হাইলাইট করুন । আর অবশ্যই

বায়ারের বাজেটের মধ্যে বিড করতে হবে ।

৮. যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছে, তারা শুধু এটা শুরু

করেই ক্ষান্ত হয়নি, পাশাপাশি চেষ্টা করেছে ব্লগিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিংবা সার্চ ইঞ্জিন

অপটিমাইমাইজেশন এর কাজ, আপনিও একই নীতি

এপ্লাই করুন সফল হলে আপনিই বুঝতে পারবেন

অনলাইনে আয় করা আপনার জন্য কিভাবে সহজ

এবং কোন পথ আপনার জন্য কার্যকরী।

৯. কাজের জন্য বিড করতে গিয়ে কভার লেটার

অবশ্যই আকর্ষনীয় করে লিখবেন, বায়ারকে

সম্বোধন করবেন স্যার কিংবা ডিয়ার হায়ারিং

ম্যানাজার এভাবে, আপনি কাজটি করতে পারেন এবং

করতে আগ্রহী তা বুঝিয়ে বলবেন, এর বেশি কথা

বলতে যাবেননা।

১০. একটি কভার লেটার বারবার কপি করে সেটা সব

জায়গায় পেস্ট করবেননা তাহলে কাজ পাওয়ার যে

সম্ভাবনা থাকবে সেটাও হারাবেন ।

১১. সাধারণত কাজ পাওয়ার মুখ্য সময় গভীর রাত

অর্থাত রাত ১টা থেকে ৪টা, এ সময়ে কাজ বেশি

পোস্ট হয়, তাই এ সময় এপ্লাই করলে কাজ পেয়ে

যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে, অন্য সময় এপ্লাই করতে

গেলে দেখবেন আপনি এপ্লাই করার আগেই আরো

অনেকজন করে ফেলেছে, এর মধ্যে হায়ার হয়েছে

কয়েকজন আর ইন্টারভিউতে কল পেয়েছে

আরো কয়েকজন, আর তাই সেখানে আপনার

সম্ভাবনা অতি নগন্য।

১২. পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড এমন বায়ার দেখেই

কাজের জন্য এপ্লাই করবেন, এছাড়া অন্য

বায়ারদের গ্যারান্টি নেই, আপনাকে দিয়ে কাজ

করিয়ে নিয়ে ভাগতে পারে ।

১৩. ই-

মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম

পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, এফিলিয়েট

মার্কেটিং, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি এর মত

কাজগুলো করার জন্য আপনার পর্যাপ্ত দক্ষতা

থাকার প্রয়োজন

নেই । ফিক্সড টাইমের কাজগুলোর পেমেন্টের

নিশ্চয়তা কম আর এক্ষেত্রে পেমেন্ট নিতে হবে

কাজের শেষে, ঘন্টাভিত্তিক কাজে পেমেন্ট ঘন্টায়

ঘন্টায় পাবেন ।

১৪. Microworkers এ রেজিস্ট্রেশন করুন, এখানে

ছোট ছোট কাজ করে

আয় করতে পারেন। বিভিন্ন রেইটের কাজ

করে এখানে ব্যালেন্স জমা হতে হতে

যখন বড় একটি এমাউন্ট হবে তখন আপনি তোলার

চিন্তা করবেন । এটির মত আরো কিছু সাইট

আছে অনলাইনে, আপনি সেগুলো ও চেষ্টা করতে

পারেন, যদি বড় মার কেট প্লেস গুলো আপনার জন্য

সুবিধা জনক মনে না হয়...

সর্বোপরি...

যে কোনো ক্ষেত্রে সফল হবার জন্য পরিশ্রম

করতে হয়, অযথা সাফল্য এসে হাতে ধরা দিবেনা,

আপনিও যে পথে আগ্রহী, অনলাইনে আয়ের যে

বিষয়গুলো আপনার ভালো লাগে সে বিষয়গুলো

আপনি নিয়মিত স্টাডি করুন, এ পথে সময় দিন, লেগে

থাকুন, আউট পুট অবশ্যই পাবেন। আপনার জন্য শুভ

কামনা রইলো।



ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি আপনি ব্লগিং করতে

চাইলে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন

১. কখনোই কপি পেস্ট করে আর্টিকেল লিখবেননা

২. পর্ণগ্রাফি এড়িয়ে চলবেন

৩. সাইট এর কন্টেন্ট এর উপর বেশি গুরত্ব দিন

৪. সার্চ ইঞ্জিন অপটি মাইজেশন এপ্লাই করুন তবে

গ্রহনযোগ্য আর্টিকেল লেখার পর

৫. আপনার সাইট এর মার্কেটিং করুন বিভিন্

সোশ্যাল মিডিয়ায়

৬. কাঙ্খিত মানে পৌছলে তখন গুগল এডসেন্স

এর জন্য আবেদন করুন

৭. গুগল এডসেন্স পেলে সেখান থেকে এড কোড

নিয়ে নিজের সাইটে বসান

৮. নিজের এড এ নিজে ক্লিক করতে যাবেননা আর

ছবির পাশে এড ব্যবহার করবেননা

৯. সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন তাতে পর্যায়ক্রমে

আপনি লাভবান হবেন

চলবে...

এছাড়াও অনলাইনে আয়ের হাজার পদ্ধতি আপনি

গুগলে সার্চ দিয়ে পাবেন, তার মধ্যে কার্যকরী

পদ্ধতি পেতে টেক টিউনতো আছেই ।

সৃজনশীল কোনো কাজে সময় দিতে পারলে আপনার

শ্রম এবং দক্ষতা ২টি-ই কাজে আসবে । আপনি

গুগল এর ব্লগার এর মাধ্যমে ফ্রি সাইট তৈরী করতে

পারেন । এ সাইটের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স ব্যবহার

করতে পারেন আর এডসেন্স না পেলেও অন্যান্য

পিপিসি প্রোগ্রাম ব্যবহার করে আয় করতে পারেন ।

আর এতে ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ

করারও প্রয়োজন পড়ছেনা ।

সাফল্যের রাজ্যের কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা নেই ।

চুনে মুখ পুড়লে দইকেও ভয় পেতে হয়, যার বাপকে

কুমিরে খেয়েছে তারতো ঢেকী দেখেও ভয় পাওয়ারই

কথা । অনলাইন কাজের নামে যারা প্রতারণার শিকার

হয়েছেন তাদের বিভ্রান্ত না হয়ে স্বচ্ছ ধারণা এবং

উপযুক্ত নির্দেশনার মাধ্যমে পুরোদমে কাজ করার

সুযোগ এখনো আছে । হাত বাড়ালেই এ সুযোগের

পুরো দাবীদার আপনিও হতে পারেন । হাতের মুঠোয়

নিয়ে আসতে পারেন অনলাইনে আয়ের সকল পদ্ধতি,

শুরু করে দিতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং সহ যাবতীয়

আয়ের মাধ্যম ।

আরো জানতে আমার "অনলাইন আয়ের এ পথ, সে

পথ, আপনি যাবেন কোন পথে" লেখাটি দেখতে

পারেন । সকলের

সার্বিক কল্যান কামনায় আজকের মত এখানেই শেষ

করছি। শুভ কামনা রইলো । ভালো থাকবেন সবাই...

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমি-

ফাইনাল জয়টিকে জীবনের সেরা

অভিজ্ঞতা বলে মনে করেন ব্রেন্ডন

ম্যাককালাম। রোমাঞ্চকর ম্যাচটিকে

ক্রিকেটের অসাধারণ এক বিজ্ঞাপন

বলেও উল্লেখ করেন নিউ জিল্যান্ডের

অধিনায়ক।



মঙ্গলবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে প্রথম

সেমি-ফাইনালে ডাকওয়ার্থ ও লুইস

পদ্ধতিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪ উইকেটে

হারায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক নিউ

জিল্যান্ড। এই জয়ে প্রথমবারের মতো

বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে এর আগে

ছয়বার সেমি-ফাইনাল খেলা দেশটি।

বৃষ্টিবিঘ্নিত নাটকীয় ম্যাচটিতে শেষ

ওভারে জয়ের জন্য নিউ জিল্যান্ডের

প্রয়োজন ছিল ১২ রান। শেষ ২ বলে ৫ রানের

লক্ষ্য ছিল তাদের। পঞ্চম বলে অসাধারণ

এক ছয় মেরে ম্যাচ জেতান গ্র্যান্ট এলিয়ট।

সবকিছু মিলিয়ে ম্যাচটিকে রোমাঞ্চকর

মনে হয়েছে ম্যাককালামের।

"এটা (ম্যাচটি) ক্রিকেটের জন্যই দারুণ এক

বিজ্ঞাপন ছিল। এটা সবাই জীবনের বাকি

সময় মনে রাখবে।"



ম্যাচটি যেভাবে শেষ হয়েছে, নিউ

জিল্যান্ডের সমর্থকরা এমনটিই চেয়েছিল

উল্লেখ করে ম্যাককালাম নিজের অনুভূতির

কথা বলেন।



"আমাদের জীবনের সেরা সময় এটা।

অভিজ্ঞতাটা আমরা উপভোগ করেছি।"

আগামী রোববার বিশ্বকাপের ফাইনাল।

সেই ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ

হতে পারে ভারত অথবা অস্ট্রেলিয়া।

ম্যাককালাম অবশ্য ফাইনালের প্রতিপক্ষ

নিয়ে ভাবছেন না। তার চোখ শুধুই

শিরোপায়।



"ফাইনালে কার সঙ্গে খেলব সেটা নিয়ে

ভাবি না, দুই দলই মানসম্পন্ন। কিন্তু আমরা

জানি, যেভাবে খেলতে চাই, সেভাবে

খেলতে পারলে আমাদের সুযোগ আছে।"

যারা ব্লগিং করেন তারা সবসময় সচেষ্ট

থাকেন কিভাবে ব্লগে আরও ভিজিটর

বৃদ্ধি করা যায়। কারণ ভিজিটরই ব্লগের

প্রাণ। ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য

বিভিন্ন ধরনের উপায় রয়েছে। এগুলি

সঠিকভাবে করতে পারলে ব্লগে প্রচুর

পরিমান ভিজিটর পাওয়া সম্ভব। যারা

ব্লগিং শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্যও

ভিজিটর বৃদ্ধির উপায়গুলি জানা

প্রয়োজন। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক

ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধির ১০টি কার্যকরী

টিপস।



seo visitor tips ব্লগে ট্রাফিক বা

ভিসিটরস বৃদ্ধি করার ১০টি নির্ভেজাল

ও কার্যকরী টিপস



১. আপনার ব্লগে নিয়মিত ইউনিক

আর্টিকেল পোস্ট দিন।



২. বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে

আপনার ব্লগের পোস্টগুলি শেয়ার করুন।



৩. আপনার ব্লগকে বিভিন্ন সার্চ

ইঞ্জিনে সাবমিট করুন যেন সার্চ ক্রল

বার আপনার পোস্টগুলিকে সহজেই খুজে

পায়।



৪. সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে আপনার

পোস্টগুলি সাবমিট করুন।



৫. আপনার ব্লগের সঙ্গে সম্পর্কিত

অন্যান্য ব্লগে কমেন্ট করুন এবং

ব্যাকলিংক দিন।



৬. বিভিন্ন ফোরামে অংশগ্রহন করুন

এবং সিগনেচার ব্যবহারের মাধ্যমে

আপনার ব্লগের ব্যাকলিংক দিয়ে আসুন।



৭. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর

পাওয়ার জন্য মেইন কীওয়ার্ড এবং

রিলেটেড কী ওয়ার্ড ব্যবহার করে

পোস্ট লিখুন।



৮. আপনার ব্লগের আরএসএস ফিড সেটিং

করুন। এটিও ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধিতে

সহায়তা করবে।



৯. বিভিন্ন ব্লগে গিয়ে গেস্ট ব্লগিং

করুন। পাশাপাশি আপনার ব্লগেও গেস্ট

ব্লগিংয়ের সুযোগ রাখুন।



১০. ইয়াহু আ্যনসার সাইটে অংশগ্রহনের

মাধ্যমেও আপনার সাইটে ভিজিটর

বৃদ্ধি করতে

আসসালামুয়ালাইকুম

আশা করি সবাই ভালই আছেন , অন্নেক

দিন টেকটিউনে লিখ তে বসলাম……

আজ আপনাদের আমে দিব Recent Post

Slider. আশা করি আপনাদের ভালই

লাগবে

সাধারনত যারা ব্লগিং করেন তারা

তাদের ব্লগার এ যদি স্লাইড শোও যুক্ত

করে থাকেন। কিন্তু ফল কি হয় যখন পোস্ট

করেন তখন ওইটা বার বার আপডেট করতে

হয়

তাই আজ আমি আপনাদের দিব এমন একটি

স্লাইডার যা একবার যুক্ত করলে কোন

দিন আপডেট করতে হবে না

content slider 500x341 আপনার ব্লগে যুক্ত

করুন Recent Post Slider

চলুন কাজ শুরু করা যাক

প্রথমে আপ্নে আপনার ব্লগার এ প্রবেশ

করুন তারপর

লেআউট এ গিয়ে Html/javascript ……Select

করুন

তারপর নীচের কোড টি Copy paste করুন





<style>#slide-container {height: 360px;position:

relative;width: 480px;}#slider {height:

360px;left: 25px;overflow-x: hidden;overflow-y:

hidden;position: relative;width: 480px;font-

family: calibri;}.slide-desc {background:

transparent url(http://i195.photobucket.com/

albums/z105/dantearaujo/darkbg.png
) repeat

scroll 0 0;color: #FFFFFF;padding:

10px;position: absolute;right: 0px;text-align:

left;top: 0;width: 200px;z-index: 99999;}.slide-

desc h2 {display: block;}.crosscol .widget-

content {position: relative;}#slider ul, #slider

li,#slider2 ul, #slider2 li {margin: 0;padding:

0;list-style: none;}#slider2 {margin-top: 1em;}

#slider li, #slider2 li {/*define width and height

of list item (slide)entire slider area will adjust

according to the parametersে provided here*/

width: 480px;height: 360px;overflow: hidden;}

#prevBtn, #nextBtn,#slider1next, #slider1prev

{display: block;width: 30px;height:

77px;position: absolute;left: -30px;text-indent:

-9999px;top: 71px;z-index: 1000;}#nextBtn,

#slider1next {left: 520px !important;}#prevBtn,

#nextBtn, #slider1next, #slider1prev {display:

block;height: 77px;left: 0;position: absolute;top:

132px;width: 30px;z-index: 1000;}#prevBtn a,

#nextBtn a,#slider1next a, #slider1prev a

{display: block;position: relative;width:

30px;height: 77px;background: url(http://

i195.photobucket.com/albums/z105/

dantearaujo/prev.png
) no-repeat 0 0;}#nextBtn

a, #slider1next a {background: url(http://

i195.photobucket.com/albums/z105/

dantearaujo/next.png
) no-repeat 0 0;}/* numeric

controls */ol#controls {margin: 1em 0;padding:

0;height: 28px;}ol#controls li {margin: 0 10px 0

0;padding: 0;float: left;list-style: none;height:

28px;line-height: 28px;}ol#controls li a {float:

left;height: 28px;line-height: 28px;border: 1px

solid #ccc;background: #DAF3F8;color:

#555;padding: 0 10px;text-decoration: none;}

ol#controls li.current a {background:

#5DC9E1;color: #fff;}ol#controls li a:focus,

#prevBtn a:focus, #nextBtn a:focus {outline:

none;}</style>

<script src='http://ajax.googleapis.com/ajax/

libs/jquery/1.6/jquery.min.js
' type='text/

javascript'></script>

<script src='http://accordion-

template.googlecode.com/svn/trunk/

easySlider1.7.js' type='text/javascript'></

script>

<script type='text/javascript'>

//<![CDATA[

$(document).ready(function(){

$("#slider").easySlider({

auto: true,

continuous: true

});

});

//]]>

</script>

<div id="slider">

<script style="text/javascript" src="http://

code.helperblogger.com/easySlider.min.js"></

script>

<script style="text/javascript">

var numposts_gal = 6; var numchars_gal = 150;

var random_posts = false; // random posts

</script>

<script src="http://banglakid.blogspot.com/

feeds/posts/default?

orderby=published&alt=json-in-

script&callback=showgalleryposts&max-

results=999999
″></script>

</div>





এইবার আপনার প্পছন্দ মত সব কিছু

অ্যাডজাস্ট করে নিন

ধন্যবাদ

প্রথমেই সকলের জন্য শুভকামনা ও

শুভেচ্ছা রইল।

আপনি যদি একজন ব্লগার হন

তাহলে অবশ্যই আপনি চাইবেন

আপনার নিজের একটি ব্লগ

থাকুক। আবার অনেকেই আছেন

নিজের একটি ব্লগ

তৈরি করতে চান বা নিজের

একটি ব্লগ

তৈরি করে অনলাইনে আয়

করতে চান, এই

লেখাটি তাদের জন্য।

আমি প্রাথমিক পর্যায়

থেকে শুরু করছি। যারা ব্লগ

তৈরি করার জন্য প্রস্তুত,

তাদের প্রথম প্রশ্ন হয় –

আমি কোন প্লাটফর্ম-এ

ব্লগটি তৈরি করব? নিজস্ব

Hosting, Blogspot/Blogger.com

নাকি WordPress.com এ?

যাদের Hosting ও Web Developing এর

ভাল

জানা আছে তারা নিজস্ব

Hosting এ ব্লগ

তৈরি করতে পারেন।

তারা নিজস্ব hosting এ WordPress

install করে ব্লগ

তৈরি করতে পারেন। এটাই

সবচেয়ে ভাল। নিজের hosting এ

ব্লগ থাকা মানে এর সম্পূর্ণ

মালিক আপনি নিজে। ব্লগের

ফাইল তথা সবকিছুই আপনার

নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Hosting ও Web Developing এ ভাল দখল

নাই বলে যে আপনি নিজের

ব্লগ তৈরি করতে পারবেন না,

তা মুটেই ঠিক না। বিশেষ

করে যারা ভাল

লিখতে পারেন কিন্তু Hosting ও

Web Developing এ ভাল দখল নাই,

তাদের জন্য আশার

কথা হচ্ছে WordPress ও Blogger এ

ব্লগ তৈরি করতে Hosting বা Web

Developing জানা লাগে না।

এতে অল্প জ্ঞান থাকলেই খুব

সহজে আপনি আপনার ব্লগ

তৈরি করতে পারেন। কাজেই

আমি প্রাথমিক

পর্যায়ে লিখছি।

পরবর্তী পর্যায়ে নিজের

Hosting এ ব্লগ তৈরি (A to Z)

করা দেখাব ইনশাল্লাহ।

প্রথমেই ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগার

সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

আপনাদের

সামনে তুলে ধরা উচিৎ।

কেননা আপনি যখন

ব্লগটি তৈরি করছেন তখন অবশ্যই

আপনাকে ব্লগটির ভবিষ্যৎ

সম্পর্কে ভাবতে হবে। যখন

আপনি একটি ব্লগ করছেন

এবং তা একদিন বৃহৎ একটি ব্লগ এ

পরিণত হবে তখন প্লাটফর্ম

(ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার) পরিবর্তন

করা কঠিন হয়ে পরবে। কারন এর

সাথে অনেক বিষয় (SEO, URL, Data

ইত্যাদি) জড়িত থাকে।

কাজেই ভবিষ্যতের

কথা ভেবে প্রথমেই সুবিধা-

অসুবিধা ভালভাবে জেনে আপ

করতে হবে কোথায় আপনার

ব্লগটি তৈরি করবেন। মূলত

আপনার ব্লগের ধরণ

অনুযায়ী প্লাটফর্ম বাছাই

করতে হবে।

আবার আপনি যদি নিজের

বা প্রতিষ্ঠানের portfolio

ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান,

তাহলে weebly.com এও

তৈরি করতে পারেন খুব

সহজেই। তবে সেই ওয়েবসাইট

যদি ব্লগ প্রকৃতির হয়,

তাহলে weebly তে না করাই

ভাল।

এখন অবশ্যই আপনি আপনার

ব্লগটি তৈরি করার জন্য

মানসিক ভাবে প্রস্তুত।

তাহলে তৈরি থাকুন

আগামি পর্বের জন্য। ব্লগ

(wordpress.com, blogspot/blogger.com,

weebly.com ইত্যাদি) এর প্রাথমিক

পর্যায় থেকে advance লেভেল

পর্যন্ত লিখব ইনশাল্লাহ। আমার

চেষ্টায় আপনাদের

যদি একটি নিজের ব্লগ

তৈরি করতে পারেন

তাহলে আমি মনে করব আমার

লেখা সার্থক হয়েছে। ভুল

হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখার

অনুরুধ রইল।

সালাম নিয়েন অনেক দিন পরMnewsbd.com এ আসলাম আগের আরো

ভালো হইছে Mnewsbd.com কে ধন্যবাদ, Mnewsbd.com এর সাথে

থাকুন স্পাম থেকে বিরত থ্কুন এই কামনা

করে লেখা শুরু করছি.....



#freehostia.com প্রায় ৫ বছরেরও

বেশী সময় থেকে তারা free

hosting সেবা দিয়ে আসছে।

তারা ৯৯.৯% আপটাইম

গ্যারান্টি দিয়ে থাকে।ফ্রি

হোস্টিয়া ২৫০ মেগাবাইট ডিস্ক

স্পেস এবং ৬ গিগাবাইট মাসিক

ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে।

#webs.com ফ্রি হোস্টিং গুলোর

মধ্যে ওয়েবস খুবই সহজভাবে ড্রাগ

এবং ড্রপ পদ্ধতি ব্যবহার

করে ওয়েবসাইট

তৈরি করতে দেয়।প্রায় ৩০

সেকেন্ড এর মত সময়ে সাইনআপ

এবং প্রায় ঘন্টাখানেকের মত

সময়ের ভেতরেই সাইট সেটআপের

কাজ করা যায়।

তারা ব্যবহারকারীকে বেশ

সুবিধাই দিয়ে থাকে বলা চলে।

#5gbfree.com এরা ২০ গিগাবাইট

ফ্রি ডিস্কস্পেস সুবিধাসহ মাই এস

কিউ এল ডাটাবেজ এবং পি এইচ

পি স্ক্রিপ্টিং সুবিধা দিয়ে

থাকে।তারা ব্যবহারকারীর

সাইটে এড দেয় না।

তারা ব্যবহারকারীকে সি

প্যানেল পুরোপুরি উন্মুক্ত

করে দেয়।

#jimdo.com ২০০৭ সাল

থেকে চলে আসছে।প্রায় ৭ লক্ষ

সাইট তাদের পদ্ধতি ব্যবহার

করছে।এখানে শুধু সাইনআপ

করে,ইমেইল কনফার্ম

করে,একটি টেমপ্লেট বাছাই

করেই সাইট তৈরি করা যায়।

#freehosting.com এরা ১০০% free

hosting সুবিধা দিয়ে থাকে।

তারা ফ্রি ওয়েব টুল

সেবা দিয়ে থাকে যা দিয়ে

ব্যবহার কারী খুব সহজেই সাইট

তৈরি করে অনলাইনে চালাতে

পারে।তারা তাদের ওয়েব

হোস্টিং একাউন্টে এফ

টি পি,সি জি আই,পি এইচ

পি ৫,মাই এস কিউ এল,পাইথন,আর ও

আর,সি আর ও এন এবং file manager

পদ্ধতি ব্যবহার করতে দেয়।

#snappages.com এদের রয়েছে ড্রাগ

এবং ড্রপ ওয়েবসাইট নির্মান

পদ্ধতি।সহজ ব্যবহার পদ্ধতি।

৫টি আলাদা পেজ

এবং পুরো কাস্টমাইজেবল

ওয়েবসাইট।খুব বেশী কিছু

না জেনেও খুব সহজেই সাইট

তৈরি করা যায়।

#zymic.com এদের

ফ্রি হোস্টিং একাউন্টে ১০

মেগাবাইট ডিস্কস্পেস এবং ২

গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইথ

ট্রান্সফার পাওয়া যায়।এদের

কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এরা ফ্রি সেবা দিয়ে থাকে।

#110mb.com তাদের

ফ্রি হোস্টিং সেবাতে ১১০

মেগাবাইট ডিস্কস্পেস এবং ১০০

গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইথ

ডাটা ট্রান্সফার পাওয়া যায়।

তাদের রয়েছে ফ্রি সাইট

নির্মানের ব্যবস্থা।সাপোর্টের

ব্যবস্থা রয়েছে।

#freehostingeu.com এরাও

মোটামুটি ভালই

ফ্রি হোস্টিং সেবা দিয়ে

থাকে।তারা তাদের প্রত্যেক

ফ্রি ব্যবহারকারীকে ২০০

মেগাবাইট ফ্রি স্টোরেজ

এবং ৪০০০ মেগাবাইট

ডাটা ব্যান্ডওয়াইথ ট্রান্সফার এর

সুবিধা দিয়ে থাকে।

এখানে ওয়ার্ড প্রেস

এবং জুমলা ব্যবহার করা যায়।

#zettahost.com এরা ১০০০

মেগাবাইট ফ্রি ডাটা স্টোরেজ

সুবিধা ৫ গিগাবাইট ব্যান্ডওয়াইথ

ডাটা ট্রান্সফার সুবিধা দেয়।

পি এইচ পি , মাই এস কিউ এল

ব্যবহার করা যায় ।

প্রতিটা একাউন্টের

ক্ষেত্রে একটা ডোমেইন

পাওয়া যায়।

#x10hosting.com

এটি একটি ফ্রি হোস্টিং

প্রভাইডার।এখানে পি এইচ

পি ৫,মাই এস কিউ এল ইত্যাদির

ব্যবহার করা যায়।ব্যবহার

পদ্ধতি সহজ।

[start]

সবাইকে সালাম জানাই | অনেক দিন পর

লিখতে বসলাম | যাই হোক আমরা

অনেকে আছি যারা ওয়াপকা এর কোড

নিজে বানাতে পারি না তাই সবাই

কে বলি যে আমাদের এই কোড দিতে

ওই কোড দিতে |আজ সেই দিন শেষ এবার

আপনি পারবেন কোড বানাতে শুধু একটু

সময় দিতে হবে | তা হলে কাজ সুরু করে

দেই |আজ আমরা নোটিশ বোর্ড বানাব |

প্রথমে বলি যে কোন কোড শুরু হয় <div

class=" "> এবং শেষ হয় </div> দিয়ে |

এখানে <div এর পড়ে একটা স্পেস দিতে

হবে এবং class="brdr"> দিতে পারবেন

এখানে brdr একটা ক্লাস বা ডিজাইন

এটা আমাদের পরে বুজলে হবে | এবার

আমরা কাজ শুরু করি|

<div class="brdr"><div class="phdr">Info

Board</div>

SkyBDWap.likebd.com/#tk সাইটে

আপনাদের স্বাগতম |নতুন নতুন পোস্ট

দিয়ে আমাদের সাইটকে সুন্দর করে তুলুন |

</div>

আমাদের কোড বানানো শেষ এবার

বুজার পালা| আপনারা মনে করতে

পারেন এই কোডে দুই বার <div class

দিলাম কেন | এটা দুই বার নয় আপনার যত

বার দরকার দিতে পারবেন |আরেকটা

জিনিস প্রথমে যে <div class="brdr">

দিছি তার পরে </div> দেই নি কিন্তু

পরের <div class="phdr">Notice Board</div>

দিছি | একটু খেয়াল করেন কোডের

একেবারে শেষে </div> দেয়া আছে |

এটা দিছি একেবারে ১ম টার জন্য |আর ২

নাম্বারে যেই টা দিছি সেটা Info

Board লেখার পিছন কালার করে

দেখাবে |আর পরে আপনার যা লেখার

লিখতে পারেন |তা হলে আজ এ পর্যন্ত।

স্মার্টফোনের জন্য নতুন উইন্ডোজ ১০

অপারেটিং সিস্টেমের প্রিভিউ

ভার্সন ছেড়েছে মাইক্রোসফট।

সফটওয়্যার জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটির

বাজারজাতকৃত উইন্ডোজ ১০

অপারেটিং সিস্টেমের প্রথম

সংস্করণ এটি।



মাইক্রোসফট স্মার্টফোনের জন্য 'উইন্ডোজ

১০' এর প্রিভিউ ভার্সন ছেড়েছে

বৃহস্পতিবার। সর্বশেষ উইন্ডোজ ১০

ইভেন্টে দেখানো ইন্ট্যার্যাকটিভ

নোটিফিকেশন, উন্নত স্পিচ-টু-টেক্সট

ফিচার, নতুন অ্যাকশন সেন্টার, নতুন ফটো

অ্যাপ ইত্যাদি ফিচারগুলোর আছে

উইন্ডোজ ১০ প্রিভিউ ভার্সনে।

পরবর্তী সংস্করণগুলোতে ইউনিভার্সাল

অফিস অ্যাপ, আউটলুক আর স্কাইপ অ্যাপ

থাকবে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।

তবে উইন্ডোজ ১০-এর এই প্রাথমিক

সংস্করণটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য

নয় বলেই মন্তব্য করেছে ম্যাশএবল।

"প্রিভিউ সংস্করণটি নিয়ে এখনও কাজ

চলছে। ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহারের

সময় কিছু জটিলতার শিকার হতে

পারেন।"--এক ব্লগ পোস্টে প্রিভিউ

ভার্সন নিয়ে এভাবে সতর্ক করে

দিয়েছে খোদ মাইক্রোসফট।

কর্টানার মতো কিছু ফিচার ব্যবহার করতে

বেগ পেতে হবে বলে জানিয়েছে

মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ ১০ প্রিভিউয়ে বন্ধ

রাখা হয়েছে উইন্ডোজের পুরানো

সংস্করণগুলোর বেশ কিছু ফিচার।

উইন্ডোজ ইনসাইডার প্রোগ্রামে

নিবন্ধিত ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ ১০ এর

প্রিভিউ সংস্করণটি ডাউনলোড করে

ব্যবহার করতে পারবেন। আপাতত লুমিয়া

৬৩০, ৬৩৮, ৬৩৫, ৭৩০, ৬৩৬ এবং ৮৩০

মডেলগুলোতে চলবে উইন্ডোজ ১০

প্রিভিউ।

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন

বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর

রহমতে সবাই ভালই আছেন।

আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের

দোয়ায়

ভালই আছি। জেনে নিন আইপি নাম্বার

কি, কেনো প্রয়োজন, কিভাবে পরিবর্তন

করবেন ?

আইপি নাম্বার কি?

আইপি নাম্বার হল একটি সংখ্যাগত

লেবেল

যা কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত

প্রতিটি কৌশল বা ডিভাইসের জন্য

নির্ধারিত যেখানে নেটওয়ার্কের

নোড গুলো যোগাযোগের জন্য আইপি

নাম্বার

ব্যবহার করে । আইপি অ্যাড্রেসের

প্রধান কাজ মুলত দুটি:হোস্ট

অথবা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস সনাক্ত

করা এবং অবস্থান খুজে বের করা। যেমন-

215.7.158.14 একটি আইপি নাম্বার। আইপি

নাম্বার কেন প্রয়োজন?

আইপি নাম্বার হল একটি হোম অ্যাড্রেস

এর

মত। ডাটা প্রেরণ এবং গ্রহন করার জন্য

যেমনটি হোম অ্যাড্রেস প্রয়োজন। হোম

অ্যাড্রেস এবং আইপি নাম্বার একই রকম

কাজ করে থাকে। আইপি নাম্বার এর

মাধ্যমে একটি কম্পিউটার যোগাযগের

জন্য

অন্য একটি কম্পিউটার

এবং ইন্টারনেটে যুক্ত হয়। তাই

যোগাযোগ বাবস্থা বযায় রাখার জন্য

আইপি নাম্বার অবশ্যই প্রয়োজন।

আইপি নাম্বার এর ব্যাবহার: আপনার

আইপি নাম্বার এর মাধ্যমে নির্ণয়

করা হয় আপনি কোন দেশ বা কোন

যায়গা থেকে আপনার কম্পিউটার

ব্যবহার

করছেন। তাই সবধান ইন্টারনেটে কোন

অপরাধ মূলক কাজ করা থেকে বিরত

থাকুন। তবে আপনি চাইলে খুব সহজে

আপনার

আইপি নাম্বার

লুকিয়ে রাখতে অথবা পরিবর্তন

করতে পারবেন, তাহলে কেউ আপনার

অবস্থান সঠিক ভাবে বের

করতে পারবে না। কিভাবে আইপি

নাম্বার লুকাবেন?

আইপি নাম্বার

লুকাতে চাইলে আপনাকে একটি

সফটওয়ার

ব্যাবহার করতে হবে। তবে এধরনের

সফটওয়ার আপনার কম্পিউটার এর জন্য

ক্ষতিকারক হতে পারে। এক্ষেত্রে

আপনি আইপি হাইডের জন্য Hide

me ব্যবহার করতে পারেন।

কিভাবে আইপি নাম্বার পরিবরতন

করবেন?

আইপি নাম্বার পরিবর্তন করার অনেক

উপায় আছে তবে সব ক্ষেত্রে কাজ নাও

হতে পারে। যদি আপনার আইপি নাম্বার

স্থীর হয় তাহলে আপনাকে আপনার

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা

(ISP)

এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। যদিও

এটা অসম্ভব ব্যাপার তবে ব্যবসায়ের জন্য

হয়ত দিতে পারে। যাই হোক আপনি এ

ভাবে একটু করে দেখুন কাজ হয়ে যেতে

পারে। এটা শুধু মাত্র Windows

XP 2000, 2003 এর জন্য।

১। ক্লিক স্টার্ট

২। ক্লিক রান

৩। লিখুন cmd এবং ওকে করুন

(এখানে আপনাকে নির্দেশ করতে হবে)

৪। লিখুন ipconfig/relese এবং এন্টার

চাপুন

৫। ক্লিক স্টার্ট, কন্ট্রোল প্যানেল,

এবং নেটওয়ার্ক কানেকশন ওপেন করুন

৬। লোকাল এরিয়া কানেকশন এ রাইট

ক্লিক করুন, এবং প্রপারটিজ এ যান ৭।

এখনে আইপি নাম্বার বা Internet

Protocol (TCP/IP) এ দুবার ক্লিক করুন

৮। এখন এখানে আপনি আপনার পছন্দ মত

আইপি নাম্বার বসিয়ে নিন

যেমন– ১২৩.১২৩.১২৩.১২৩

৯। এখন Tab চাপুন। তাহলে আপনার প্রবেশ

করান নাম্বার গুলো ডিফল্ট

হয়ে যাবে

১০। এবার দু যায়গাতেই ওকে চাপুন

১১। আবার লোকাল এরিয়া কানেকশন এ

ক্লিক করে প্রপারটিজ এ যান

১২। এখনে আইপি নাম্বার বা Internet

Protocol (TCP/IP) এ দুবার ক্লিক করুন

১৩। এখনে আইপি নাম্বারকে automatically

কনফিগার করুন

১৪। এখন দু যায়গাতেই ওকে করুন

১৫। সবশেসে দেখুন আপনার

আইপি নাম্বার আপনার পছন্দ মত হয়েছে

কি না ?

★ মোবাইল ফোন কখনোই অপরিষ্কার ও

ধুলোবালিময় স্থানে রাখবেন না

★ চার্জ ফুল হয়ার সাথে সাথেই চার্জার খুলে

ফেলুনএতে করে ব্যাটারির স্থায়িত্ব অটুট

থাকবে

★ লো ব্যাটারিতে পা ব্যাবহার না করাই

ভালোব্যাটারি লো দেখালে মোবাইল

চার্জে দিন

★ মাঝে মাঝে কভার খুলে মোবাইলের

ভেতরের ধুলোবালি নরম কাপড় বা তুলা

ব্যাবহার করে মুছে নিতে পার

★ মোবাইল ফোন হাতে রাখার সময় সতর্কতা

অবলম্বন করবেন যেন সেটটি হাত থেকে পড়ে

না যায়

★ মোবাইল সেট সর্বদা পানি থেকে দূ

মোবাইল ফোনের প্রধান শত্রু পানি

★ কোনও ভাবে মোবাইল ফোন পানিতে পড়ে

গেলে সাথে খুলে ব্যাটারি ও শুকাতে

দিনএবং সমস্যা দেখা দিনিতে

পারেনরোদের আলোতে শুকাতে দিনা

★ যারা প্যান্টের পকেটে মোবাইল সেট

রাখেন তারা চেষ্টা করবেন টাইট পকেটে

ফোন না রাখতেএতে করে মোবাইল সেটের

উপরে চাপ পড়ে ও ঘষা লেগে দাগ পড়ে যেতে

পারেবর্তমানে বাজারে মরাখার জন্য

চামড়ার, লেদারের বিভিন্ন মূল্যের কভার

পাওয়া যায়মোবাইল ফোন রাখার জন্য কভার

ব্যবহার করুনএতে করে মোবাইল সেট

ধুলোবালি মুক্ত থাকবে

★ মোবাইলের স্ক্রিন মোবাইল সেটের একটি

স্পর্শকাতর যায়গামোবাইলের স্ক্রিনের

সুরক্ষার জন্য ভালো স্ক্রিন পেপার ব্যবহার করুন

★ মোবাইল ফোনের কী প্যাডের উপর

অতিরিক্ত জোর দিবেন নাএতে করে কী

প্যাডে কী গুলো দুর্বল হয়ে পরবে তাড়াতাড়

অতিরিক্ত গেম খেলা পরিহার করতে

হবেমোবাইল ফোন সেট বাচ্চাদের থেকে

যথাসম্ভবদূরে রাখুনবাচ্চারা মোবাইল

ফোনের প্রতি আগ্রহী হয় বেশী এবং বাচ্চার

হাতে মোবাইল ফোন থাকলে অসতর্কতা ফলে

সেটি পড়ে গিয়ে সম্ভবনা থাকে

ফেসবুকে রয়েছে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ

ফিচার যার

সবগুলো আমরা জানিনা বা অন্তত

অনেকগুলো জানলেও ব্যবহার

করিনা। আজকের

পোস্টে ফেসবুকের

তেমনই কিছু ফিচার

নিয়ে আলোচনা করব যা আপনার

কাজে লাগতে পারে। ১.

এক্টিভিটি লগ ফেসবুকের ডেস্কটপ

ভার্সন ব্রাউজ

করার সময় কভার ফটোর

নিচে "এক্টিভিটি লগ" নামের

একটি বাটন দেখে থাকবেন।

সাইটটির মোবাইল ভার্সনেও

সম্প্রতি নিয়মিতভাবেই

অপশনটি দেখা যাচ্ছে।

আপনি ইতোপূর্বে যদি কখনও

এটি ব্যবহার

না করে থাকনে তাহলে আজই

এক্টিভিটি লগ ট্রাই

করে দেখতে পারেন। এর

মাধ্যমে ফেসবুকে আপনার সকল

কাজকর্মের সময়ানুক্রমিক

তালিকা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ,

ফেসবুকে কখন কোন পোস্টে লাইক

দিলেন, কোথায় কমেন্ট করলেন,

কার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট

করলেন প্রভৃতি তথ্য

বিস্তারিতভাবে দেখা যাবে।

২. অ্যাপ সেন্টার

ফেসবুকে অনেককেই হয়ত গেম

খেলতে দেখেছেন। অনেকের

কাছ

থেকে গেম খেলার/ অ্যাপ ট্রাই

করার ইনভাইটেশনও

পেয়ে থাকবেন। কিন্তু এগুলোর

বাইরে আরও অনেক প্রয়োজনীয়

অ্যাপ রয়েছে ফেসবুক অ্যাপ

সেন্টারে। এই লিংকে https://

www.facebook.com/appcenter ভিজিট

করলে ওয়েব, আইওএস

বা এন্ড্রয়েড

অপারেটিং সিস্টেমের জন্য

ফেসবুকের আলাদা আলাদা অ্যাপ

কালেকশন পাবেন। এগুলোর

মধ্যে থাকছে ইবুক সংগ্রহ করার

অ্যাপ, মিউজিক অ্যাপ (যেমন

স্পটিফাই), হরেক রকম গেমস

ইত্যাদি। ৩. ব্রাউজ ফেসবুক

হোমপেজ ভিজিট করার সময়

নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন,

সেখানে 'আগে আসলে আগে পাবেন'

নীতি খাটেনা। অর্থাৎ, সর্বশেষ

পোস্টকৃত কনটেন্ট সবার

উপরে থাকবে এমন

কোনো কথা নেই। ফেসবুকের

বিশেষ

গ্রাফ সার্চ অ্যালগোরিদম জটিল

এক প্রক্রিয়ায় আপনার পছন্দ-

অপছন্দ বিশ্লেষণ

করে ক্রমানুযায়ী নিউজফিড

সাজায়।

এতে আপনি কোনো কোনো ভিডিও,

ফটো, অ্যাপ হয়ত খেয়াল

করতে পারেন না। এজন্য

রয়েছে ব্রাউজ অপশন। ফেসবুক

ডেস্কটপের বাম

কলামে একটি ম্যাগনিফাইয়িং গ্লাসের

চিহ্নের সাথে "ব্রাউজ"

অপশনটি (https://

www.facebook.com/discover-

something-new
) পাবেন।

প্রতিবার এখানে ক্লিক করার

সাথে সাথে ফেসবুকের বিভিন্ন

প্রকার কনটেন্ট যেমন মজার সব

গেমস, পেজ, ফটো, ভিডিও

ইত্যাদি আবিষ্কার

করতে পারবেন। ৪. ফেসবুক ডেস্কটপ

চ্যাট ফেসবুকে ইনস্ট্যান্ট

মেসেজিং বা চ্যাটিং সেবাটির

অন্যতম বহুল ব্যবহৃত একটি ফিচার।

কিন্তু কম্পিউটারে ফেসবুক

ভিজিট

করার সময় ব্রাউজার উইন্ডোর

নিচের

দিকে আলাদা আলাদা ট্যাবে একাধিক

ব্যক্তির সাথে চ্যাট করা কখনও

কখনও কিছুতা বিরক্তিকরও

মনে হতে পারে। আর এই

সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে ফেসবুক

রিলিজ করেছে সেবাটির

ডেস্কটপ চ্যাটিং সফটওয়্যার।

এটি অনেকটা নিমবাজ, গুগল টক,

স্কাইপ

প্রভৃতি চ্যাটিং সফটওয়্যারের

মতই কাজ করে।

এতে আপনি মেসেজিংয়ের

পাশাপাশি সংক্ষেপে ফেসবুকের

অন্যান্য নোটিফিকেশন

সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবেন।

এই লিংক

থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড

করে নিতে পারেন। ৫.

প্রাইভেসি শর্টকাট

কম্পিউটারে ফেসবুক ব্রাউজ করার

সময় উপরের

দিকে ডানপাশে (সেটিংস/

লগআউট

বাটনের ঠিক বামে) একটি ছোট্ট

তালার মত চিহ্ন দেখতে পাবেন।

এতে ক্লিক করে ঝটপট আপনার

ফেসবুক প্রাইভেসি নিয়ন্ত্রণ

করতে পারবেন। এখানে মূলত

তিনটি প্রধান

প্রাইভেসি শর্টকাট দেয়া আছে।

এগুলো হচ্চে "হু ক্যান সি মাই

স্টাফ", যা আপনার পোস্ট/

কনটেন্টসমূহের

গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ করে; এরপর

আছে "হু ক্যান কনটাক্ট মি",

যা আপনাকে কারা ফ্রেন্ড

রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবে ও

মেসেজ দিতে পারবে এসব

নিয়ন্ত্রণ করে; তিন নম্বর

অপশনে বলা আছে "হাউ ডু আই স্টপ

সামওয়ান ফ্রম বদারিং মি"-

এখানে আপনি বিরক্তিকর

কোনো ফেসবুকারকে ব্লক

করতে পারবেন।

DESCRIPTION :

Enjoy your every tap and personalize your
keyboard! Are you bored with plain android
keyboard? We offer the personalized and
customized keyboard, from theme, font to key
tone, etc.
GO Keyboard is a Emoji, Emoticon Free keyboard
that delivers smart auto-correction and a user-
friendly interface. It supports 60+ languages. The
symbols in the keyboard are compatible across
all popular apps, including Facebook, SMS, Gmail,
Whatsapp, etc. The most important for us - always
listening to your feedback!
FEATURES:
★ FREE 800 Emoji and other cute smiley faces
explosion (ʘ‿ʘ)
It is free to use a pack of 800 emoticons, emoji,
and smiley faces. They are grouped into different
categories so you are able to find it real fast.
★ PERSONALIZED EXPERT - type fun
There are 10000+ colorful themes in market that
are compatible with GO Keyboard and new free
themes are delivered weekly ! You could also set
keyboard background wallpaper image free.
Plus, we have several features to make your
typing more fun. Voice recorder can transfer your
voice into a different one and it is so fun to send
to your friends.
★ CUSTOMIZABLE toolbar in keyboard area
Want to access emoji art, voice input or input text
edit/clean function in one click? Our toolbar
provides two customized shortcut entries for your
typing habit. You are able to long press and set
them anytime.
★ WORD CORRECTION and suggestions
Smart enough to recognize mistyping and provide
correction suggestions to you. Sloppy typing is
away from you.
★ VARIOUS LAYOUTS, gesture typing and support
for tablet device
It provides various layouts such as QWERTY,
QWERTZ and AZERTY for phone mode and pad
tablet. You can also slide finger across screen for
speed input.
★ TYPE what you speak
It supports voice input and it frees your hand.
★ GREEN and Pro
It is small(smaller than most of the keyboards),
green and professional.
★ PRIVACY and security
We will never collect your personal info including
credit card information. However, you may
receive a warning when activating GO Keyboard
saying "This keyboard may collect your personal
data." The warning message is just a standard
message in Android for ANY third-party keyboard
app, so don't worry.
What our users said
"Go keyboard is exactly what I want.. If you're
looking for fast typing and enough
personalization.. it is the right choice." - Mohd
Hasbi
"This is not just a typing tool. Love the colorful
themes, cute emoji and smiley faces" - Sonia
Garcia
FAQ
1. How to enable GO Keyboard on my mobile?
Step 1: click open GO Keyboard icon from home,
and click through 2 steps to enable GO Keyboard
and set as default one;
Step 2: locate any input box and it is ready to go!
For more info, follow us on FACEBOOK: http://
goo.gl/kLxbSl
MULTILINGUAL TYPING
English-EN
Arabic-AR
Bulgarian-BG
Catalan-CA
Chinese-CN(Pinyin, Wubi, Handwriting)
Croatian-HR
Czech-CS
Danish-DA
Dutch-NL
Farsi-FA
Finnish-FT
French-FR
Georgian-KA
German-DE
Greek-EL
Hebrew-HE
Hindi-HI
Hungarian-HU
Indonesian-ID
Italian-IT
Japanese-JA
Korean- KO
Lithuanian-LT
Malay- MS
Norwegian-NO
Philippines(Tagalog)- TL
Polish-PL
Portuguese-PT
Romanian-RO
Russian-RU
Slovak-SK
Slovenian- SL
Spanish-ES
Swedish-SV
Thai- TH
Turkish-TR
Taiwanese (Cangjie, Zhuyin, Simplified Cangjie)
Ukrainian –UG
Urdu-UR
more
Use of this app is governed by Terms of Service:
https://goo.gl/ewazhp and Privacy Policy:
https://goo.gl/43153H

For download
click here : http://adf.ly/1BKMOq

Micromax is a Indian mobile manufacturer. They
are so popular for their low budget mobile and
android phone. But micromax mobile feature
quality is s good than it's price. Today, we
provided you latest all Micromax android mobile
price in Bangladesh. This bellow list is updated
frequently. So you can get the right information
here.
Micromax Canvas A1- BDT 9,999

Micromax
Unite 2
A106,

BDT 9,999

Micromax
Unite
A092,

BDT 6,185

Micromax Canvas Fire
A104
, BDT 9,499

Micromax
Canvas
Fire A093,

BDT 7,749

Micromax
Canvas 2
Colours
A120,

BDT 12,799

Micromax Canvas
Engage A091, BDT
6,999
Micromax
Canvas
Doodle 3,
coming..
Micromax
Canvas
Beat
A114R,
BDT
12,999
Micromax Canvas
Knight, BDT 29,999
Micromax
Canvas
MAd A94,
BDT 8,890
Micromax
Canvas
Turbo
A250, BDT
19,990
Micromax Canvas
Turbo Mini, BDT 17,500
Micromax
Canvas XL
A119, BDT
15,000
Micromax
Canvas
Tube, BDT
13,999
Micromax Canvas 2.2
A114, BDT 15,750
Micromax
Canvas
Juice A77,
BDT
10,400
Micromax
Canvas
Social
A94, BDT
8,799
Micromax Canvas
Magnus A117, BDT
17,500
Micromax
A113
Canvas
Ego, BDT
14,500
Micromax
Canvas
Fun A76,
BDT 9,199
Micromax Canvas Fun
A74, BDT 9,990
Micromax
Canvas
Doodle 2
A240, BDT
19,000
Micromax
Canvas
Light A92,
BDT
11,000
Micromax Canvas
Music A88, BDT 7,999
Micromax
Canvas 2
Plus
A110Q,
BDT
14,500
Micromax
Canvas
Viva A72,
BDT 7,699
Micromax Canvas 4
A210, BDT 17,999
Micromax
A116
Canvas
HD, BDT
15,999
Micromax
Bolt A59,
BDT 4,199
Micromax Bolt A37B,
BDT 4,399
Micromax
A110
Canvas 2,
BDT
12,499
Micromax
Ninja A91,
Bdt 9,300
Micromax Ninja A54,
BDT 5,800 Micromax
Bolt A27,
BDT 4,200
Micromax
A111
Canvas
Doodle,
BDT
13,000
Micromax A115 Canvas
3D, BDT 12,000
Disclaimer : The all information have been
collected from Micromax official website. We can
not grantee you with all information are 100%
correct. Price can be variants for updating
micromax official website. We update price
regularly.

Walton Primo NX2: Price in Bangladesh & Full Specification
Price14490 Tk
Camera8 Megapixel || Video: Yes 1080p, Secondary 2 Megapixel
InternetGPRS: Yes || EDGE: Yes, 3G, Wi-Fi 802.11 b/g/n
FM RadioFM Radio with recorder
Audio PlayerMP3
Video PlayerMP4



First ArrivalFebruary, 2015
Memory8GB Internal, 1GB RAM
Memory Card SlotMicroSD card slot Expandable up to 32GB
Bluetoothv4.0
USBmicroUSB v2.0, USB OTG
InfraredYes
Weight156 gm
StatusAvailable
Display5.5" IPS Capacitive Full Multi Touch HD(720px * 1280px)
Other FeaturesDual SIM Dual Standby, Android 4.4.2 (KitKat), 1.3 GHz Quad Core Processor, Mali 400 GPU, 3000 mAh Li polymer battery, 3rd generation gorilla glass, Accelerometer (3D), Light sensor, Proximity, Orientation, Compass, Infrared , fingerprint sensor, GPS


Price15990 Tk
Camera5 Megapixel || Video: Yes; Secondary 2 Megapixel
InternetGPRS: Yes || EDGE: Yes, 3G, Wi-Fi 802.11 b/g/n, Wi-Fi Direct, hotspot
FM RadioFM radio with RDS
Audio PlayerMP3, 3GPP, MP4, SMF, WAV, OTA
Video Player3GPP, MP4, WebM


       
First ArrivalMarch, 2015
Memory8GB Internal, 1GB RAM
Memory Card SlotMicroSD card slot Expandable up to 32GB
Bluetoothv4.1, A2DP, apt-X
USBmicroUSB v2.0
InfraredNo
Weight144 gm
StatusAvailable
Display5" IPS Capacitive Full Multi Touch qHD(540px * 960px)
Talk Time12 Hour(2G), 12.6 Hour(3G)
Stand By552 Hour(2G), 548 Hour(3G)
BrowserHTML
JavaYes, via Java MIDP emulator
Other FeaturesDual SIM Dual Standby, Android 4.4.4 (KitKat), Mediatek MT6582 Quad-core 1.3 GHz Cortex-A7 Processor, Mali-400MP2 GPU, Non-removable Li-Ion 2300 mAh battery, Accelerometer, proximity sensor, GPS with A-GPS

micromax_canvas_a1_android_51_update_facebook.jpg


Micromax and Spice, two popular India-based smartphone makers have announced that they are rolling out Android 5.1 Lollipop OS update throughout this week to their Android One smartphones - Micromax Canvas A1 and Spice Dream Uno.
While Spice announced the news on its Facebook page stating "Your rocking weekend starts today..Spice rolls out Lollipop 5.1 update for Spice Dream Uno users. Check NOW!," Micromax has detailed the steps Canvas A1 users can follow to install Android 5.1 Lollipop on their handsets.
According to Micromax, the Canvas A1 with Android One should at least have 30 percent battery to install the OS. Users would have to connect to a Wi-Fi network, check for system updates under the handset's Settings option, and download/ install the package if available.
Both Micromax and Spice have not mentioned exactly what changes will the Android 5.1 Lollipop OS update will bring to the Android One smartphones. However, we know some of the features Android 5.1 Lollipop brings: easy handling of Wi-Fi toggles and Bluetooth from Quick Settings, fix for random app crashes, improved security in case the smartphone has been stolen or is lost, improved heads-up notifications that let users swipe up to collapse, better handling of system audio while playing a media file, and new 'No interruptions until next alarm' option in Priority mode.
It is worth mentioning that Karbonn, which also launched its Android One smartphone Karbonn Sparkle V alongside Micromax Canvas A1 and Spice Dream Uno, has not yet mentioned anything on the Android 5.1 Lollipop OS update. However, given Micromax and Spice's announcement, Karbonn should be getting ready to roll out Android 5.1 Lollipop for its smartphone soon.

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.